শিরোনাম :

সর্বদলীয় বৈঠকে বিএনপি, জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে দেবে না মতামত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র চূড়ান্ত করতে রাজনৈতিক দল ও অন্য অংশীজনদের সাথে সর্বদলীয় বৈঠকে বসছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেল চারটায় এ বৈঠক শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক রাজনৈতিক দল বিএনপি এতে অংশ নেবে কি না, এ নিয়ে অনিশ্চিয়তা ছিল। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ সকালে বলেছিলেন, বৈঠকে বিএনপি যাবে কি না এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

শেষ পর্যন্ত বিএনপির একজন প্রতিনিধি যাচ্ছেন বৈঠকে। প্রতিবেদন লেখার সময় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে বৈঠকে যোগ দেয়ার উদ্দেশে তার বাসা থেকে রওনা দিয়েছেন।

বৈঠকে অংশ নিলেও জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে মতামত দেবে না বিএনপির প্রতিনিধি সালাউদ্দিন আহমদ।

বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, জুলাই ঘোষণাপত্র বিষয়ে মতামত দেয়ার জন্য সময়ের অপর্যাপ্ততার কথা প্রধান উপদেষ্টাকে জানাবেন সালাহউদ্দিন আহমদ।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য জানিয়েছেন, তারা নির্বাচনকে প্রাধান্য দিচ্ছেন এবং জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে দলটির আগে যে অবস্থানে ছিল, এখনও তারা সেই অবস্থানেই আছেন। বিএনপির পক্ষ থেকে আলাদা ঘোষণাপত্র দেয়া হতে পারে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্রের বিষয়টি সামনে আসার পর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ওঠে আসে, কেবল জুলাই-আগস্টের ৩৬ দিনের গণঅভ্যুত্থানের দিলগুলো নয়, বিগত ১৬ বছরের আন্দোলনের, ত্যাগের স্বীকৃতিও চাইবে বিএনপি। এজন্য ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে যুক্ত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে একমত হয়ে তা করতে হবে মত দেয় বিএনপি নেতারা।

অন্যদিকে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্ররা চায় ঘোষণাপত্রে ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ এর নেতৃত্ব পরিস্কারভাবে উল্লেখ থাকুক। নয়া সংবিধানেরও পক্ষে তারা। তবে, বিএনপি নতুন করে সংবিধান লেখার পক্ষে নয়, সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছে দলটি।

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ, সংবিধান, ঘোষণাপত্র ইস্যুসহ সামগ্রিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিএনপির সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের। যা আজ আরও স্পষ্ট হলো।

আজকের বৈঠক নিয়ে বিএনপির কাছাকাছি সূরে কথা বলছে দলটির সাথে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা শরীক দলগুলোও।

ছয়দলের রাজনৈতিক জোট গণতন্ত্র মঞ্চের নেতা ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি আজ দুপুরে ব্রিফিংয়ে বলেছেন, বৈঠকে ঘোষণাপত্র নিয়ে আলোচনায় অংশ নেবে না গণতন্ত্র মঞ্চ, বরং এতে যোগ দিয়ে যে প্রক্রিয়ায় বৈঠক ডাকা হয়েছে সেটি তুলে ধরবে জোটের প্রতিনিধি।

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের নেতৃত্বে দলটির তিন সদস্যের প্রতিনিধি বৈঠক যোগ দেবে বলে জানা গেছে। ১২ দলীয় জোট ইতোমধ্যে জানিয়েছে, তারা প্রধান উপদেষ্টার বৈঠকে অংশ নেবে না।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

বিদ্যুৎ বিতরণ বেসরকারি খাতে দিতে চায় সরকার, শঙ্কায় বিশেষজ্ঞরা

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

রাষ্ট্রপতি প্রার্থী নিয়ে আজ বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক

০১ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

সর্বদলীয় বৈঠকে বিএনপি, জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে দেবে না মতামত

আপডেট সময় ০৫:০০:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৫

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র চূড়ান্ত করতে রাজনৈতিক দল ও অন্য অংশীজনদের সাথে সর্বদলীয় বৈঠকে বসছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেল চারটায় এ বৈঠক শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক রাজনৈতিক দল বিএনপি এতে অংশ নেবে কি না, এ নিয়ে অনিশ্চিয়তা ছিল। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ সকালে বলেছিলেন, বৈঠকে বিএনপি যাবে কি না এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

শেষ পর্যন্ত বিএনপির একজন প্রতিনিধি যাচ্ছেন বৈঠকে। প্রতিবেদন লেখার সময় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে বৈঠকে যোগ দেয়ার উদ্দেশে তার বাসা থেকে রওনা দিয়েছেন।

বৈঠকে অংশ নিলেও জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে মতামত দেবে না বিএনপির প্রতিনিধি সালাউদ্দিন আহমদ।

বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, জুলাই ঘোষণাপত্র বিষয়ে মতামত দেয়ার জন্য সময়ের অপর্যাপ্ততার কথা প্রধান উপদেষ্টাকে জানাবেন সালাহউদ্দিন আহমদ।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য জানিয়েছেন, তারা নির্বাচনকে প্রাধান্য দিচ্ছেন এবং জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে দলটির আগে যে অবস্থানে ছিল, এখনও তারা সেই অবস্থানেই আছেন। বিএনপির পক্ষ থেকে আলাদা ঘোষণাপত্র দেয়া হতে পারে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্রের বিষয়টি সামনে আসার পর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ওঠে আসে, কেবল জুলাই-আগস্টের ৩৬ দিনের গণঅভ্যুত্থানের দিলগুলো নয়, বিগত ১৬ বছরের আন্দোলনের, ত্যাগের স্বীকৃতিও চাইবে বিএনপি। এজন্য ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে যুক্ত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে একমত হয়ে তা করতে হবে মত দেয় বিএনপি নেতারা।

অন্যদিকে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্ররা চায় ঘোষণাপত্রে ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ এর নেতৃত্ব পরিস্কারভাবে উল্লেখ থাকুক। নয়া সংবিধানেরও পক্ষে তারা। তবে, বিএনপি নতুন করে সংবিধান লেখার পক্ষে নয়, সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছে দলটি।

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ, সংবিধান, ঘোষণাপত্র ইস্যুসহ সামগ্রিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিএনপির সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের। যা আজ আরও স্পষ্ট হলো।

আজকের বৈঠক নিয়ে বিএনপির কাছাকাছি সূরে কথা বলছে দলটির সাথে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা শরীক দলগুলোও।

ছয়দলের রাজনৈতিক জোট গণতন্ত্র মঞ্চের নেতা ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি আজ দুপুরে ব্রিফিংয়ে বলেছেন, বৈঠকে ঘোষণাপত্র নিয়ে আলোচনায় অংশ নেবে না গণতন্ত্র মঞ্চ, বরং এতে যোগ দিয়ে যে প্রক্রিয়ায় বৈঠক ডাকা হয়েছে সেটি তুলে ধরবে জোটের প্রতিনিধি।

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের নেতৃত্বে দলটির তিন সদস্যের প্রতিনিধি বৈঠক যোগ দেবে বলে জানা গেছে। ১২ দলীয় জোট ইতোমধ্যে জানিয়েছে, তারা প্রধান উপদেষ্টার বৈঠকে অংশ নেবে না।

Share this news as a Photo Card