মালয়েশিয়ায় সিনেমা হলে এলো ‘আওয়ারাপন ২’

বলিউড তারকা ইমরান হাশমির ক্যারিয়ারের একটি উল্লেখযোগ্য সিনেমা ছিল ‘আওয়ারাপন’। সেই সিনেমার সিক্যুয়েল হিসেবে নির্মিত ‘আওয়ারাপন ২’ এখন মালয়েশিয়ার প্রেক্ষাগৃহে দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। মুক্তির সঙ্গে সঙ্গেই সিনেমাটি নিয়ে সেখানে বসবাসরত দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত দর্শকদের মধ্যে, বিশেষত ভারতীয় ও বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের মাঝে, বাড়তি কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া মূল সিনেমাটির কেন্দ্রীয় চরিত্র ছিল শিবম পণ্ডিত নামের এক ব্যক্তি, যাকে নিয়েই আবর্তিত হয়েছিল গল্পের মূল কাঠামো। প্রায় দুই দশকের কাছাকাছি সময় পেরিয়ে সেই একই চরিত্রে আবার দেখা মিলছে ইমরান হাশমির। দীর্ঘ বিরতির পর পরিচিত চরিত্রে অভিনেতার প্রত্যাবর্তন দর্শকমহলে বাড়তি আগ্রহের একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সিনেমাটির অন্যতম আকর্ষণীয় দিক হলো এর একাংশের চিত্রধারণ মালয়েশিয়ার মাটিতেই সম্পন্ন হয়েছে। রাজধানী কুয়ালালামপুরের জনবহুল ও পরিচিত কিছু এলাকা এই সিনেমার শুটিংয়ের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো, শহরের জনপ্রিয় শপিং ও বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এলাকাতেও ক্যামেরাবন্দি হয়েছে সিনেমার গুরুত্বপূর্ণ কিছু দৃশ্য। এর পাশাপাশি বুকিত বিনতাংয়ের ব্যস্ত সড়কেও শুটিং চলাকালে কলাকুশলীদের উপস্থিতি নজরে আসে স্থানীয়দের।
শুটিং চলাকালীন সময়ে ইমরান হাশমির পাশাপাশি অন্য অভিনয়শিল্পীরাও উপস্থিত ছিলেন সেট-এ। এই কারণে স্থানীয় দর্শকদের কাছে সিনেমাটি নিছক একটি বিদেশি চলচ্চিত্র হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং নিজেদের চেনা শহরের রাস্তাঘাট, ভবন ও পরিবেশ পর্দায় দেখার বাড়তি রোমাঞ্চ যুক্ত হয়েছে দর্শকদের অভিজ্ঞতায়।
‘আওয়ারাপন ২’-এর কলাকুশলী তালিকায় ইমরান হাশমির সঙ্গে রয়েছেন দিশা পাটানি, শাবানা আজমি এবং সুভিন্দর ভিকি। সিনেমাটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন নিতিন কক্কর। একঝাঁক পরিচিত মুখের সমন্বয়ে তৈরি এই সিনেমা মুক্তির আগে থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে ছিল, আর মালয়েশিয়ার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর সেই আলোচনা যেন আরও বেগবান হয়েছে।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ২০০৭ সালের মূল সিনেমাটি মুক্তির সময় বক্স অফিসে ততটা বড় সাফল্য পায়নি। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দর্শকদের কাছে এটি ধীরে ধীরে একটি বিশেষ জায়গা করে নেয় এবং একসময় পরিণত হয় জনপ্রিয় কাল্ট ধাঁচের সিনেমায়। বিশেষভাবে সিনেমার সুরেলা গান এবং ইমরান হাশমির অভিনয়শৈলী দর্শকদের মনে দাগ কেটেছিল দীর্ঘদিন ধরে। সেই পুরোনো জনপ্রিয়তার রেশ ধরেই এবার সিক্যুয়েলটি নিয়ে তৈরি হয়েছে বাড়তি প্রত্যাশা।
বর্তমানে মালয়েশিয়ায় মুক্তির পর দর্শকদের প্রতিক্রিয়া কেমন হয়, তা জানার অপেক্ষায় আছেন সিনেমার সঙ্গে যুক্ত নির্মাতা ও শিল্পীরা। কুয়ালালামপুরের পরিচিত রাস্তাঘাটে চিত্রধারণ এবং জনপ্রিয় একটি চরিত্রে দীর্ঘদিন পর অভিনেতার ফিরে আসা—এই দুটি বিষয় মিলিয়ে সিনেমাটি ইতিমধ্যেই মালয়েশিয়ার দর্শকমহলে বাড়তি আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

দেশকে অর্থনৈতিক-সামাজিকভাবে শক্তিশালী অবস্থান করা সরকারের লক্ষ্য

১১ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

মালয়েশিয়ায় সিনেমা হলে এলো ‘আওয়ারাপন ২’

আপডেট সময় ০১:০৯:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

বলিউড তারকা ইমরান হাশমির ক্যারিয়ারের একটি উল্লেখযোগ্য সিনেমা ছিল ‘আওয়ারাপন’। সেই সিনেমার সিক্যুয়েল হিসেবে নির্মিত ‘আওয়ারাপন ২’ এখন মালয়েশিয়ার প্রেক্ষাগৃহে দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। মুক্তির সঙ্গে সঙ্গেই সিনেমাটি নিয়ে সেখানে বসবাসরত দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত দর্শকদের মধ্যে, বিশেষত ভারতীয় ও বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের মাঝে, বাড়তি কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া মূল সিনেমাটির কেন্দ্রীয় চরিত্র ছিল শিবম পণ্ডিত নামের এক ব্যক্তি, যাকে নিয়েই আবর্তিত হয়েছিল গল্পের মূল কাঠামো। প্রায় দুই দশকের কাছাকাছি সময় পেরিয়ে সেই একই চরিত্রে আবার দেখা মিলছে ইমরান হাশমির। দীর্ঘ বিরতির পর পরিচিত চরিত্রে অভিনেতার প্রত্যাবর্তন দর্শকমহলে বাড়তি আগ্রহের একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সিনেমাটির অন্যতম আকর্ষণীয় দিক হলো এর একাংশের চিত্রধারণ মালয়েশিয়ার মাটিতেই সম্পন্ন হয়েছে। রাজধানী কুয়ালালামপুরের জনবহুল ও পরিচিত কিছু এলাকা এই সিনেমার শুটিংয়ের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো, শহরের জনপ্রিয় শপিং ও বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এলাকাতেও ক্যামেরাবন্দি হয়েছে সিনেমার গুরুত্বপূর্ণ কিছু দৃশ্য। এর পাশাপাশি বুকিত বিনতাংয়ের ব্যস্ত সড়কেও শুটিং চলাকালে কলাকুশলীদের উপস্থিতি নজরে আসে স্থানীয়দের।
শুটিং চলাকালীন সময়ে ইমরান হাশমির পাশাপাশি অন্য অভিনয়শিল্পীরাও উপস্থিত ছিলেন সেট-এ। এই কারণে স্থানীয় দর্শকদের কাছে সিনেমাটি নিছক একটি বিদেশি চলচ্চিত্র হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং নিজেদের চেনা শহরের রাস্তাঘাট, ভবন ও পরিবেশ পর্দায় দেখার বাড়তি রোমাঞ্চ যুক্ত হয়েছে দর্শকদের অভিজ্ঞতায়।
‘আওয়ারাপন ২’-এর কলাকুশলী তালিকায় ইমরান হাশমির সঙ্গে রয়েছেন দিশা পাটানি, শাবানা আজমি এবং সুভিন্দর ভিকি। সিনেমাটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন নিতিন কক্কর। একঝাঁক পরিচিত মুখের সমন্বয়ে তৈরি এই সিনেমা মুক্তির আগে থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে ছিল, আর মালয়েশিয়ার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর সেই আলোচনা যেন আরও বেগবান হয়েছে।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ২০০৭ সালের মূল সিনেমাটি মুক্তির সময় বক্স অফিসে ততটা বড় সাফল্য পায়নি। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দর্শকদের কাছে এটি ধীরে ধীরে একটি বিশেষ জায়গা করে নেয় এবং একসময় পরিণত হয় জনপ্রিয় কাল্ট ধাঁচের সিনেমায়। বিশেষভাবে সিনেমার সুরেলা গান এবং ইমরান হাশমির অভিনয়শৈলী দর্শকদের মনে দাগ কেটেছিল দীর্ঘদিন ধরে। সেই পুরোনো জনপ্রিয়তার রেশ ধরেই এবার সিক্যুয়েলটি নিয়ে তৈরি হয়েছে বাড়তি প্রত্যাশা।
বর্তমানে মালয়েশিয়ায় মুক্তির পর দর্শকদের প্রতিক্রিয়া কেমন হয়, তা জানার অপেক্ষায় আছেন সিনেমার সঙ্গে যুক্ত নির্মাতা ও শিল্পীরা। কুয়ালালামপুরের পরিচিত রাস্তাঘাটে চিত্রধারণ এবং জনপ্রিয় একটি চরিত্রে দীর্ঘদিন পর অভিনেতার ফিরে আসা—এই দুটি বিষয় মিলিয়ে সিনেমাটি ইতিমধ্যেই মালয়েশিয়ার দর্শকমহলে বাড়তি আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

Share this news as a Photo Card