শিরোনাম :
আগস্টে শুরু হচ্ছে ঢাকা-পাবনা সরাসরি ট্রেন চলাচল, ঘোষণা রেলমন্ত্রীর পেলের ব্রাজিলের বিশ্বরেকর্ড ভাঙল ডাচরা, সুইডেনকে ৫-১ গোলে ওড়াল নেদারল্যান্ডস আওয়ামী লীগের মূল টার্গেট কেন ড. ইউনূস? যাহের আলভীর কারাদণ্ড: মৃত্যুর আগে বন্ধুদের কী বলেছিলেন স্ত্রী ইকরা? মেসি কি আর্জেন্টিনার জার্সি ছেড়ে ব্রাজিলে খেলবেন? লুলার মন্তব্যে শোরগোল বিশ্বকাপ ২০২৬: প্রথম রাউন্ড শেষে নকআউটের দৌড়ে কারা এগিয়ে? রাত পোহালেই আলজেরিয়া বধের মিশন: বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার উদ্বোধনী ম্যাচের ইতিহাস কী বলছে? ঢাকার ভেতর আর থাকবে না দূরপাল্লার বাস: চার টার্মিনাল সরানোর মাস্টারপ্ল্যান, কোনটি যাচ্ছে কোথায়? মিরপুরে শেষ বলের নাটকীয়তা: বাংলাদেশকে ১ উইকেটে হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সান্ত্বনার জয় দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ

টাইফয়েড প্রতিরোধে পঞ্চগড়ে মাসব্যাপী টিকাদান কর্মসূচি শুরু ১২ অক্টোবর

পঞ্চগড় জেলায় নয় মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী তিন লাখ ৬২ হাজার ১৭৭ জন শিশুকে টাইফয়েড টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। আগামী ১২ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে মাসব্যাপী টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি, যা চলবে ২০ কার্যদিবস। এর মধ্যে প্রথম ১২ কার্যদিবস শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক এবং পরবর্তী ৮ কার্যদিবস শিক্ষা প্রতিষ্ঠানবহির্ভূত শিশুদের জন্য কমিউনিটিতে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সকালে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত জেলা পর্যায়ের প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

তিনি জানান, জেলার ১ হাজার ৮৪৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুই লাখ ৪৭ হাজার ২৫০ জন শিক্ষার্থীকে এবং ১ হাজার ৬২টি কেন্দ্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানবহির্ভূত এক লাখ ১৪ হাজার ৯২৭ জন শিশুকে টাইফয়েড টিকা প্রদান করা হবে। এ বিষয়ে গণমাধ্যমের সহযোগিতাও চেয়েছেন সিভিল সার্জন মিজানুর রহমান।

প্রেস ব্রিফিংয়ে সিভিল সার্জন বলেন, “দূষিত খাবার ও পানির মাধ্যমে টাইফয়েডের জীবাণু ছড়ায়। সময়মতো রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা না হলে এটি মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। তাই টাইফয়েড প্রতিরোধে টিকা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।”

তিনি আরও বলেন, “টিকা সম্পর্কে অনেক অপতথ্য ও গুজব ছড়ানো হয়, যা মানুষকে বিভ্রান্ত করে। এসব অপতথ্য প্রতিরোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাংবাদিকরা যদি সঠিক তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দেন, তাহলে এ কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব।”

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় আয়োজিত ওই প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর ইমিউনাইজেশন মেডিকেল অফিসার ডা. সিফাত জাহান, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. সাফাত বিন শাহ, জেলা ইপিআই সুপারভাইজার হাসিবুর রহমান লাবুসহ জেলায় কর্মরত ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট ও অনলাইন গণমাধ্যমের অর্ধশতাধিক সাংবাদিক।

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

আগস্টে শুরু হচ্ছে ঢাকা-পাবনা সরাসরি ট্রেন চলাচল, ঘোষণা রেলমন্ত্রীর

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

টাইফয়েড প্রতিরোধে পঞ্চগড়ে মাসব্যাপী টিকাদান কর্মসূচি শুরু ১২ অক্টোবর

আপডেট সময় ০৫:১২:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

পঞ্চগড় জেলায় নয় মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী তিন লাখ ৬২ হাজার ১৭৭ জন শিশুকে টাইফয়েড টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। আগামী ১২ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে মাসব্যাপী টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি, যা চলবে ২০ কার্যদিবস। এর মধ্যে প্রথম ১২ কার্যদিবস শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক এবং পরবর্তী ৮ কার্যদিবস শিক্ষা প্রতিষ্ঠানবহির্ভূত শিশুদের জন্য কমিউনিটিতে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সকালে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত জেলা পর্যায়ের প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

তিনি জানান, জেলার ১ হাজার ৮৪৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুই লাখ ৪৭ হাজার ২৫০ জন শিক্ষার্থীকে এবং ১ হাজার ৬২টি কেন্দ্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানবহির্ভূত এক লাখ ১৪ হাজার ৯২৭ জন শিশুকে টাইফয়েড টিকা প্রদান করা হবে। এ বিষয়ে গণমাধ্যমের সহযোগিতাও চেয়েছেন সিভিল সার্জন মিজানুর রহমান।

প্রেস ব্রিফিংয়ে সিভিল সার্জন বলেন, “দূষিত খাবার ও পানির মাধ্যমে টাইফয়েডের জীবাণু ছড়ায়। সময়মতো রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা না হলে এটি মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। তাই টাইফয়েড প্রতিরোধে টিকা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।”

তিনি আরও বলেন, “টিকা সম্পর্কে অনেক অপতথ্য ও গুজব ছড়ানো হয়, যা মানুষকে বিভ্রান্ত করে। এসব অপতথ্য প্রতিরোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাংবাদিকরা যদি সঠিক তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দেন, তাহলে এ কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব।”

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় আয়োজিত ওই প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর ইমিউনাইজেশন মেডিকেল অফিসার ডা. সিফাত জাহান, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. সাফাত বিন শাহ, জেলা ইপিআই সুপারভাইজার হাসিবুর রহমান লাবুসহ জেলায় কর্মরত ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট ও অনলাইন গণমাধ্যমের অর্ধশতাধিক সাংবাদিক।