শিরোনাম :
হামে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৮১৮ ৪ বছরে ফ্যামিলি কার্ড পাবে ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবার, আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ১৬ আগস্ট টেকনাফে দিনে দুপুরে বাস থামিয়ে ৫৭ লাখ টাকা লুট গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলের লংমার্চ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০ আগস্ট, ভোটগ্রহণের তারিখ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হলো রাজধানীর নদী দূষণ রোধে কর্মপরিকল্পনার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বিতর্কিত আয়ের পরিকল্পনা প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাইলেন ফিফা প্রধান ক্ষেপণাস্ত্র মজুত নিয়ে উদ্বেগ উড়িয়ে দিলেন ট্রাম্প, ফাঁসকারীদের হুঁশিয়ারি জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাকিব আল হাসানের মাগুরার বাড়িতে আগুন, পেট্রলবোমার বিস্ফোরণ

টাইফয়েড প্রতিরোধে পঞ্চগড়ে মাসব্যাপী টিকাদান কর্মসূচি শুরু ১২ অক্টোবর

পঞ্চগড় জেলায় নয় মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী তিন লাখ ৬২ হাজার ১৭৭ জন শিশুকে টাইফয়েড টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। আগামী ১২ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে মাসব্যাপী টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি, যা চলবে ২০ কার্যদিবস। এর মধ্যে প্রথম ১২ কার্যদিবস শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক এবং পরবর্তী ৮ কার্যদিবস শিক্ষা প্রতিষ্ঠানবহির্ভূত শিশুদের জন্য কমিউনিটিতে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সকালে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত জেলা পর্যায়ের প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

তিনি জানান, জেলার ১ হাজার ৮৪৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুই লাখ ৪৭ হাজার ২৫০ জন শিক্ষার্থীকে এবং ১ হাজার ৬২টি কেন্দ্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানবহির্ভূত এক লাখ ১৪ হাজার ৯২৭ জন শিশুকে টাইফয়েড টিকা প্রদান করা হবে। এ বিষয়ে গণমাধ্যমের সহযোগিতাও চেয়েছেন সিভিল সার্জন মিজানুর রহমান।

প্রেস ব্রিফিংয়ে সিভিল সার্জন বলেন, “দূষিত খাবার ও পানির মাধ্যমে টাইফয়েডের জীবাণু ছড়ায়। সময়মতো রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা না হলে এটি মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। তাই টাইফয়েড প্রতিরোধে টিকা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।”

তিনি আরও বলেন, “টিকা সম্পর্কে অনেক অপতথ্য ও গুজব ছড়ানো হয়, যা মানুষকে বিভ্রান্ত করে। এসব অপতথ্য প্রতিরোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাংবাদিকরা যদি সঠিক তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দেন, তাহলে এ কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব।”

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় আয়োজিত ওই প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর ইমিউনাইজেশন মেডিকেল অফিসার ডা. সিফাত জাহান, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. সাফাত বিন শাহ, জেলা ইপিআই সুপারভাইজার হাসিবুর রহমান লাবুসহ জেলায় কর্মরত ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট ও অনলাইন গণমাধ্যমের অর্ধশতাধিক সাংবাদিক।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

সাকিব আল হাসানের মাগুরার বাড়িতে আগুন, পেট্রলবোমার বিস্ফোরণ

০৫ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

টাইফয়েড প্রতিরোধে পঞ্চগড়ে মাসব্যাপী টিকাদান কর্মসূচি শুরু ১২ অক্টোবর

আপডেট সময় ০৫:১২:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

পঞ্চগড় জেলায় নয় মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী তিন লাখ ৬২ হাজার ১৭৭ জন শিশুকে টাইফয়েড টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। আগামী ১২ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে মাসব্যাপী টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি, যা চলবে ২০ কার্যদিবস। এর মধ্যে প্রথম ১২ কার্যদিবস শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক এবং পরবর্তী ৮ কার্যদিবস শিক্ষা প্রতিষ্ঠানবহির্ভূত শিশুদের জন্য কমিউনিটিতে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সকালে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত জেলা পর্যায়ের প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

তিনি জানান, জেলার ১ হাজার ৮৪৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুই লাখ ৪৭ হাজার ২৫০ জন শিক্ষার্থীকে এবং ১ হাজার ৬২টি কেন্দ্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানবহির্ভূত এক লাখ ১৪ হাজার ৯২৭ জন শিশুকে টাইফয়েড টিকা প্রদান করা হবে। এ বিষয়ে গণমাধ্যমের সহযোগিতাও চেয়েছেন সিভিল সার্জন মিজানুর রহমান।

প্রেস ব্রিফিংয়ে সিভিল সার্জন বলেন, “দূষিত খাবার ও পানির মাধ্যমে টাইফয়েডের জীবাণু ছড়ায়। সময়মতো রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা না হলে এটি মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। তাই টাইফয়েড প্রতিরোধে টিকা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।”

তিনি আরও বলেন, “টিকা সম্পর্কে অনেক অপতথ্য ও গুজব ছড়ানো হয়, যা মানুষকে বিভ্রান্ত করে। এসব অপতথ্য প্রতিরোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাংবাদিকরা যদি সঠিক তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দেন, তাহলে এ কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব।”

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় আয়োজিত ওই প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর ইমিউনাইজেশন মেডিকেল অফিসার ডা. সিফাত জাহান, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. সাফাত বিন শাহ, জেলা ইপিআই সুপারভাইজার হাসিবুর রহমান লাবুসহ জেলায় কর্মরত ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট ও অনলাইন গণমাধ্যমের অর্ধশতাধিক সাংবাদিক।

Share this news as a Photo Card