শিরোনাম :
স্থানীয় নির্বাচনে সরকারের সুস্পষ্ট নির্দেশনা পায়নি ইসি পঞ্চগড়ে মাইকে ঘোষণা দিয়ে চা বাগান দখলচেষ্টার অভিযোগ আওয়ামী লীগের নাশকতার সক্ষমতা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবর্জনা মুক্ত দেশ গড়তে সহযোগিতা প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ বিতরণ বেসরকারি খাতে দিতে চায় সরকার, শঙ্কায় বিশেষজ্ঞরা বেনজীর আহমেদের জামিন বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু বেনজীরকে ফেরাতে সরকারের প্রক্রিয়া শুরু, জানালেন উপদেষ্টা ঢাকার চারপাশের নৌপথ সচলে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ফের বাড়ল এলপিজি সিলিন্ডারের দাম, কার্যকর আজ সন্ধ্যা থে ওবায়দুল কাদেরসহ সাত নেতার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ, যুক্তিতর্ক ৪ আগস্ট

৭ হাজারের বেশি রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ

গত সরকারের আমলে দায়ের করা সাত হাজার ১৮৪টি রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার করতে আইন মন্ত্রণালয় সুপারিশ করেছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।

রোববার (১৩ এপ্রিল) সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।

ড. আসিফ নজরুল বলেন, ‘বিগত সরকারের আমলে ৭ হাজার ১৮৪টি রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়েছে। অনেক সময় এমন মামলা আসে, যেটা রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা না। এ বিষয়ে আমাদের কর্মকর্তারা খুব আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে।’

এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনা নিয়েও কথা বলেন উপদেষ্টা। শেখ হাসিনা সরকার এ বিষয়ে তদন্তে গড়িমসি করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যে বিপুল পরিমাণ টাকা হ্যাকিং করা হয়েছে, সেটা নিয়ে একটি রিভিউ কমিটি করা হয়েছিল। সেই কমিটিতে আমি প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। এ কমিটিতে গভর্নরসহ অনেকে রয়েছেন। ব্যাংক থেকে দুই বিলিয়ন ডলার লুট করার পরিকল্পনা ছিল। এটা বাংলাদেশকে লুট করার একটা পরিকল্পনা ছিল। এটা হলে আমরা দুর্ভিক্ষে পড়ে যেতাম।’

আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল আরও বলেন, ‘বিগত সরকার এটার তদন্ত করতে গড়িমসি করেছে। এটা নিয়ে সিআইডি যে তদন্ত করেছিল, সেখানে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব কর্মকর্তারা জড়িত ছিল, তাদের নাম তদন্ত কমিটি থেকে বাদ দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। সিআইডি রিপোর্টে প্রাথমিকভাবে যাদের নাম এসেছিল তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, সেটা জানতে চেয়েছি এবং পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

মেঘনা আলমকে কেন মুক্তি দেয়া হবে না, জানতে চেয়েছে আদালত

Share this news as a Photo Card

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

স্থানীয় নির্বাচনে সরকারের সুস্পষ্ট নির্দেশনা পায়নি ইসি

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

ওবায়দুল কাদেরসহ সাত নেতার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ, যুক্তিতর্ক ৪ আগস্ট

০২ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

৭ হাজারের বেশি রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ

আপডেট সময় ০৫:৫৪:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৫

গত সরকারের আমলে দায়ের করা সাত হাজার ১৮৪টি রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার করতে আইন মন্ত্রণালয় সুপারিশ করেছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।

রোববার (১৩ এপ্রিল) সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।

ড. আসিফ নজরুল বলেন, ‘বিগত সরকারের আমলে ৭ হাজার ১৮৪টি রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়েছে। অনেক সময় এমন মামলা আসে, যেটা রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা না। এ বিষয়ে আমাদের কর্মকর্তারা খুব আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে।’

এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনা নিয়েও কথা বলেন উপদেষ্টা। শেখ হাসিনা সরকার এ বিষয়ে তদন্তে গড়িমসি করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যে বিপুল পরিমাণ টাকা হ্যাকিং করা হয়েছে, সেটা নিয়ে একটি রিভিউ কমিটি করা হয়েছিল। সেই কমিটিতে আমি প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। এ কমিটিতে গভর্নরসহ অনেকে রয়েছেন। ব্যাংক থেকে দুই বিলিয়ন ডলার লুট করার পরিকল্পনা ছিল। এটা বাংলাদেশকে লুট করার একটা পরিকল্পনা ছিল। এটা হলে আমরা দুর্ভিক্ষে পড়ে যেতাম।’

আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল আরও বলেন, ‘বিগত সরকার এটার তদন্ত করতে গড়িমসি করেছে। এটা নিয়ে সিআইডি যে তদন্ত করেছিল, সেখানে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব কর্মকর্তারা জড়িত ছিল, তাদের নাম তদন্ত কমিটি থেকে বাদ দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। সিআইডি রিপোর্টে প্রাথমিকভাবে যাদের নাম এসেছিল তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, সেটা জানতে চেয়েছি এবং পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

মেঘনা আলমকে কেন মুক্তি দেয়া হবে না, জানতে চেয়েছে আদালত

Share this news as a Photo Card