শিরোনাম :
আগস্টে শুরু হচ্ছে ঢাকা-পাবনা সরাসরি ট্রেন চলাচল, ঘোষণা রেলমন্ত্রীর পেলের ব্রাজিলের বিশ্বরেকর্ড ভাঙল ডাচরা, সুইডেনকে ৫-১ গোলে ওড়াল নেদারল্যান্ডস আওয়ামী লীগের মূল টার্গেট কেন ড. ইউনূস? যাহের আলভীর কারাদণ্ড: মৃত্যুর আগে বন্ধুদের কী বলেছিলেন স্ত্রী ইকরা? মেসি কি আর্জেন্টিনার জার্সি ছেড়ে ব্রাজিলে খেলবেন? লুলার মন্তব্যে শোরগোল বিশ্বকাপ ২০২৬: প্রথম রাউন্ড শেষে নকআউটের দৌড়ে কারা এগিয়ে? রাত পোহালেই আলজেরিয়া বধের মিশন: বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার উদ্বোধনী ম্যাচের ইতিহাস কী বলছে? ঢাকার ভেতর আর থাকবে না দূরপাল্লার বাস: চার টার্মিনাল সরানোর মাস্টারপ্ল্যান, কোনটি যাচ্ছে কোথায়? মিরপুরে শেষ বলের নাটকীয়তা: বাংলাদেশকে ১ উইকেটে হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সান্ত্বনার জয় দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ

অতিরিক্ত লবণের কারণে যে সব রোগ হতে পারে

রান্নায় লবণ ছাড়া যেন স্বাদই আসে না। এটি শুধু খাবারের স্বাদ বাড়ায় না, বরং শরীরের অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজেও সহায়তা করে। তবে যেমন বলা হয়, অতিরিক্ত কোনো কিছুই ভালো নয়; ঠিক তেমনই বেশি লবণও শরীরের জন্য ক্ষতিকর। যদি আপনার প্রতিদিনের খাবারে একটু বেশি লবণ যোগ করার অভ্যাস থাকে, তবে এখনই সতর্ক হওয়া দরকার। চলুন জেনে নেই অতিরিক্ত লবণ খাওয়ার পাঁচটি সম্ভাব্য ক্ষতিকর প্রভাব—

শরীরে পানি জমে যাওয়া
অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ শরীরের কোষে পানি ধরে রাখার প্রবণতা বাড়ায়। এর ফলে শরীরে ফোলাভাব, ভারী অনুভূতি ও অস্বস্তি দেখা দেয়। বিশেষ করে লবণাক্ত খাবার খাওয়ার পর পেট ভার লাগার অনুভূতিই এর প্রমাণ।

অস্বাভাবিক ক্লান্তি
লবণের ভারসাম্য বিঘ্নিত হলে শরীরের ইলেকট্রোলাইট ব্যাল্যান্স নষ্ট হয়, যা ক্লান্তি ও শক্তিহীনতার অন্যতম কারণ হতে পারে। যদি খাবার খাওয়ার পর প্রায়ই দুর্বলতা বা অলসতা অনুভব করেন, একবার খাবারে লবণের মাত্রা যাচাই করে দেখুন।

হজমে সমস্যা ও পেট ফাঁপা
লবণ বেশি খেলে শরীরে পানি জমে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে হজম ব্যবস্থায়। পেট ফাঁপা, অস্বস্তি, এমনকি কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যাও হতে পারে। যাদের পেট সংবেদনশীল, তাদের জন্য এটি আরও বেশি কষ্টকর হয়ে উঠতে পারে।

মাথাব্যথার প্রবণতা
অনিয়ন্ত্রিত লবণ গ্রহণ শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি করে, যার ফলে মাথাব্যথা বা মাইগ্রেনের মতো সমস্যা দেখা দেয়। শরীর যখন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি ধরে রাখতে পারে না, তখন মস্তিষ্কে চাপ সৃষ্টি হয়, যা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগের ঝুঁকি
লবণ বেশি খাওয়ার সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো উচ্চ রক্তচাপ। সোডিয়াম রক্তনালীগুলোকে সংকুচিত করে, যার ফলে রক্তচাপ বেড়ে যায়। এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব হৃদরোগ, স্ট্রোক এবং কিডনি রোগের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

চুল পড়া রোধ করা কী সম্ভব?

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

আগস্টে শুরু হচ্ছে ঢাকা-পাবনা সরাসরি ট্রেন চলাচল, ঘোষণা রেলমন্ত্রীর

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

অতিরিক্ত লবণের কারণে যে সব রোগ হতে পারে

আপডেট সময় ১২:১৪:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ মে ২০২৫

রান্নায় লবণ ছাড়া যেন স্বাদই আসে না। এটি শুধু খাবারের স্বাদ বাড়ায় না, বরং শরীরের অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজেও সহায়তা করে। তবে যেমন বলা হয়, অতিরিক্ত কোনো কিছুই ভালো নয়; ঠিক তেমনই বেশি লবণও শরীরের জন্য ক্ষতিকর। যদি আপনার প্রতিদিনের খাবারে একটু বেশি লবণ যোগ করার অভ্যাস থাকে, তবে এখনই সতর্ক হওয়া দরকার। চলুন জেনে নেই অতিরিক্ত লবণ খাওয়ার পাঁচটি সম্ভাব্য ক্ষতিকর প্রভাব—

শরীরে পানি জমে যাওয়া
অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ শরীরের কোষে পানি ধরে রাখার প্রবণতা বাড়ায়। এর ফলে শরীরে ফোলাভাব, ভারী অনুভূতি ও অস্বস্তি দেখা দেয়। বিশেষ করে লবণাক্ত খাবার খাওয়ার পর পেট ভার লাগার অনুভূতিই এর প্রমাণ।

অস্বাভাবিক ক্লান্তি
লবণের ভারসাম্য বিঘ্নিত হলে শরীরের ইলেকট্রোলাইট ব্যাল্যান্স নষ্ট হয়, যা ক্লান্তি ও শক্তিহীনতার অন্যতম কারণ হতে পারে। যদি খাবার খাওয়ার পর প্রায়ই দুর্বলতা বা অলসতা অনুভব করেন, একবার খাবারে লবণের মাত্রা যাচাই করে দেখুন।

হজমে সমস্যা ও পেট ফাঁপা
লবণ বেশি খেলে শরীরে পানি জমে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে হজম ব্যবস্থায়। পেট ফাঁপা, অস্বস্তি, এমনকি কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যাও হতে পারে। যাদের পেট সংবেদনশীল, তাদের জন্য এটি আরও বেশি কষ্টকর হয়ে উঠতে পারে।

মাথাব্যথার প্রবণতা
অনিয়ন্ত্রিত লবণ গ্রহণ শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি করে, যার ফলে মাথাব্যথা বা মাইগ্রেনের মতো সমস্যা দেখা দেয়। শরীর যখন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি ধরে রাখতে পারে না, তখন মস্তিষ্কে চাপ সৃষ্টি হয়, যা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগের ঝুঁকি
লবণ বেশি খাওয়ার সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো উচ্চ রক্তচাপ। সোডিয়াম রক্তনালীগুলোকে সংকুচিত করে, যার ফলে রক্তচাপ বেড়ে যায়। এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব হৃদরোগ, স্ট্রোক এবং কিডনি রোগের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

চুল পড়া রোধ করা কী সম্ভব?