কিডনি জটিলতায় মৃত্যুর প্রহর গুনছেন পঞ্চগড়ের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক সাজ্জাদুর

দীর্ঘদিন ধরে জটিল কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দিন কাটাচ্ছেন পঞ্চগড়ের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ। তার দুইটি কিডনিই প্রায় অকার্যকর হয়ে পড়ায় বর্তমানে নিয়মিত ডায়ালাইসিসের মাধ্যমে তাকে বাঁচিয়ে রাখা হচ্ছে। তার চিকিৎসায় প্রয়োজন বিপুল অর্থ, যা বহন করতে পরিবার হিমশিম খাচ্ছে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রায় চার বছর আগে হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন হাসপাতাল গুলোতে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা জানান, তার দুটি কিডনিই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বর্তমানে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কিডনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছেন তিনি।

সাজ্জাদ সাংবাদিকতায় দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময় ধরে কাজ করে আসছেন। নব্বইয়ের দশকে স্থানীয় পত্রিকায় কাজের মাধ্যমে তার সাংবাদিকতা জীবন শুরু হয়। বর্তমানে তিনি এনটিভির স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া বাংলা ট্রিবিউন ও ইউএনবি-তেও কর্মরত রয়েছেন। এর আগে তিনি জনকণ্ঠ, সমকাল ও যুগান্তরের মতো বিভিন্ন গণমাধ্যমে জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন।

সাজ্জাদুর রহমান জানান, প্রায় ৪ বছর আগে হঠাৎ তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা জানান, তার দুটি কিডনিই বিকল। বর্তমানে তার বেঁচে থাকার উপায় কেবল নিয়মিত ডায়ালাইসিস অথবা কিডনি প্রতিস্থাপন। এদিকে কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করতে প্রয়োজন প্রায় ৬০ লাখ টাকা। একজন মফস্বল সাংবাদিকতার যৎসামান্য আয়ে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ জোগাড় করা তাঁর পক্ষে অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নিজের অসহায়ত্বের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, আমার কোনো স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ নেই, কেবল থাকার ঘরটুকুই সম্বল। তিন সন্তানের লেখাপড়া আর সংসারের খরচ চালিয়ে নিজের চিকিৎসার ব্যয় বহন করা এখন অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। সপ্তাহে তিন দিন ডায়ালাইসিসের কথা থাকলেও টাকার অভাবে এখন তাকে সপ্তাহে দুই দিন করতে হচ্ছে।

অশ্রুসিক্ত চোখে এই সাংবাদিক আরও বলেন, আমি শুধু চাই আমার সন্তানদের পড়াশোনা শিখিয়ে মানুষের মতো করে দিয়ে যেতে। অন্তত সেই সময়টুকু যেন বেঁচে থাকতে পারি। আমার বড় ছেলে মো. আবু বক্কর কলেজে, ছোট ছেলে মো. ওমর ফারুক মাধ্যমিকে, মেয়ে মোছা. ফাতিমা দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে। সাজ্জাদের তিন সন্তান, অসহায় স্ত্রী সবাই তাকিয়ে আছে মানবিক মানুষের দিকে।

আসুন, আমরা মানবতার হাত বাড়াই। আপনার সামান্য সাহায্যই বাঁচাতে পারে একটি জীবন, ফিরিয়ে দিতে পারে একটি পরিবারের হাসি।
সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদের বিকাশ ও নগদ একাউন্ট ০১৭২০০২৫৪৫৫ এবং পূবালী ব্যাংক পঞ্চগড় শাখা, তাঁর একাউন্ট নম্বর -৩৩৪৮১০১০২৭১৪৬।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

অবশেষে খুলে গেছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে থাকা আসামির হাতে হাতকড়া

২৯ জুলাই ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

কিডনি জটিলতায় মৃত্যুর প্রহর গুনছেন পঞ্চগড়ের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক সাজ্জাদুর

আপডেট সময় ০৮:২৪:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

দীর্ঘদিন ধরে জটিল কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দিন কাটাচ্ছেন পঞ্চগড়ের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ। তার দুইটি কিডনিই প্রায় অকার্যকর হয়ে পড়ায় বর্তমানে নিয়মিত ডায়ালাইসিসের মাধ্যমে তাকে বাঁচিয়ে রাখা হচ্ছে। তার চিকিৎসায় প্রয়োজন বিপুল অর্থ, যা বহন করতে পরিবার হিমশিম খাচ্ছে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রায় চার বছর আগে হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন হাসপাতাল গুলোতে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা জানান, তার দুটি কিডনিই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বর্তমানে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কিডনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছেন তিনি।

সাজ্জাদ সাংবাদিকতায় দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময় ধরে কাজ করে আসছেন। নব্বইয়ের দশকে স্থানীয় পত্রিকায় কাজের মাধ্যমে তার সাংবাদিকতা জীবন শুরু হয়। বর্তমানে তিনি এনটিভির স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া বাংলা ট্রিবিউন ও ইউএনবি-তেও কর্মরত রয়েছেন। এর আগে তিনি জনকণ্ঠ, সমকাল ও যুগান্তরের মতো বিভিন্ন গণমাধ্যমে জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন।

সাজ্জাদুর রহমান জানান, প্রায় ৪ বছর আগে হঠাৎ তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা জানান, তার দুটি কিডনিই বিকল। বর্তমানে তার বেঁচে থাকার উপায় কেবল নিয়মিত ডায়ালাইসিস অথবা কিডনি প্রতিস্থাপন। এদিকে কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করতে প্রয়োজন প্রায় ৬০ লাখ টাকা। একজন মফস্বল সাংবাদিকতার যৎসামান্য আয়ে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ জোগাড় করা তাঁর পক্ষে অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নিজের অসহায়ত্বের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, আমার কোনো স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ নেই, কেবল থাকার ঘরটুকুই সম্বল। তিন সন্তানের লেখাপড়া আর সংসারের খরচ চালিয়ে নিজের চিকিৎসার ব্যয় বহন করা এখন অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। সপ্তাহে তিন দিন ডায়ালাইসিসের কথা থাকলেও টাকার অভাবে এখন তাকে সপ্তাহে দুই দিন করতে হচ্ছে।

অশ্রুসিক্ত চোখে এই সাংবাদিক আরও বলেন, আমি শুধু চাই আমার সন্তানদের পড়াশোনা শিখিয়ে মানুষের মতো করে দিয়ে যেতে। অন্তত সেই সময়টুকু যেন বেঁচে থাকতে পারি। আমার বড় ছেলে মো. আবু বক্কর কলেজে, ছোট ছেলে মো. ওমর ফারুক মাধ্যমিকে, মেয়ে মোছা. ফাতিমা দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে। সাজ্জাদের তিন সন্তান, অসহায় স্ত্রী সবাই তাকিয়ে আছে মানবিক মানুষের দিকে।

আসুন, আমরা মানবতার হাত বাড়াই। আপনার সামান্য সাহায্যই বাঁচাতে পারে একটি জীবন, ফিরিয়ে দিতে পারে একটি পরিবারের হাসি।
সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদের বিকাশ ও নগদ একাউন্ট ০১৭২০০২৫৪৫৫ এবং পূবালী ব্যাংক পঞ্চগড় শাখা, তাঁর একাউন্ট নম্বর -৩৩৪৮১০১০২৭১৪৬।

Share this news as a Photo Card