বিশ্বকাপ ২০২৬-এর শেষ কোয়ার্টার-ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও ইউরোপের অন্যতম সংগঠিত দল সুইজারল্যান্ড। বাংলাদেশ সময় রোববার সকাল ৭টায় যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে বহুল প্রতীক্ষিত এই ম্যাচ।
সবচেয়ে বেশি নজর থাকবে লিওনেল মেসির দিকে। ৩৯ বছর বয়সী এই তারকার এটি শেষ বিশ্বকাপ বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে। তাই আর্জেন্টিনার প্রতিটি ম্যাচই হয়ে উঠেছে তার স্বপ্নপূরণের আরেকটি অধ্যায়। কোচ লিওনেল স্কালোনির দলে হুলিয়ান আলভারেজ, এনজো ফার্নান্দেজ, আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, রদ্রিগো ডি পল এবং গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজও আছেন দারুণ ছন্দে।
অন্যদিকে সুইজারল্যান্ডের শক্তি দলগত ফুটবল, শৃঙ্খলা এবং কৌশলগত পরিকল্পনা। কোচ মুরাত ইয়াকিন বলেছেন, আর্জেন্টিনাকে তারা সম্মান করলেও ভয় পান না। তার বিশ্বাস, পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে পারলে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষেও ইতিবাচক ফল পাওয়া সম্ভব।
ইতিহাস অবশ্য আর্জেন্টিনার পক্ষেই কথা বলে। ২০১৪ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে অতিরিক্ত সময়ে আনহেল দি মারিয়ার গোলে সুইজারল্যান্ডকে হারিয়েছিল আলবিসেলেস্তেরা। তবে সেই ম্যাচে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কঠিন লড়াই উপহার দিয়েছিল সুইসরা।
এবারও ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে মাঝমাঠের লড়াই। একদিকে এনজো, ম্যাক অ্যালিস্টার ও ডি পল, অন্যদিকে গ্রানিত জাকার নেতৃত্বে সুইজারল্যান্ড—এই দ্বৈরথই ম্যাচের ছন্দ গড়ে দিতে পারে। আক্রমণে ব্রিল এমবোলো ও ড্যান এনডয়ের গতিও আর্জেন্টিনার রক্ষণকে ব্যস্ত রাখবে।
মেসির জাদু আর আর্জেন্টিনার অভিজ্ঞতা, নাকি সুইজারল্যান্ডের শৃঙ্খলাবদ্ধ দলগত ফুটবল—কোয়ার্টার-ফাইনালের এই লড়াই শেষে জানা যাবে কোন দল জায়গা করে নিচ্ছে বিশ্বকাপের শেষ চারে।
চলমান বার্তা ডেস্ক : 




















