বিশ্বকাপে ম্যাচসেরা পুরস্কার, জনপ্রিয়তাই কি এখন শেষ কথা?

বিশ্বকাপে ম্যাচসেরা বা ‘প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ’ পুরস্কারটি এখন আর শুধু মাঠের সেরা পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি নয়—এটি ক্রমেই জনপ্রিয়তার প্রতিযোগিতায় পরিণত হচ্ছে বলে আলোচনা বাড়ছে। চলতি বিশ্বকাপেও বেশ কয়েকটি ম্যাচের পর এই পুরস্কার নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে।
ফিফা ২০০২ সালের কোরিয়া–জাপান বিশ্বকাপে প্রথম ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ পুরস্কার চালু করে। তখন বিজয়ী নির্বাচন করতেন ফিফার টেকনিক্যাল স্টাডি গ্রুপের বিশেষজ্ঞরা। ২০২২ সালে লিঙ্গনিরপেক্ষতার অংশ হিসেবে পুরস্কারের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ’।
২০১০ বিশ্বকাপ থেকে সমর্থকদের ভোটের ভিত্তিতে ম্যাচসেরা নির্বাচন শুরু হয়। বর্তমানে ফিফার ওয়েবসাইটে ম্যাচ চলাকালীন বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে দর্শকেরা ভোট দিতে পারেন। ফলে অনেকের মতে, পারফরম্যান্সের পাশাপাশি খেলোয়াড়ের জনপ্রিয়তাও ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলছে।
এর আগে ২০২২ বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের কেভিন ডি ব্রুইনা নিজেই প্রশ্ন তুলেছিলেন, প্রত্যাশিত মানের খেলতে না পারলেও তিনি কেন ম্যাচসেরার পুরস্কার পেলেন। তাঁর মন্তব্য ছিল, হয়তো নামের কারণেই এমনটি হয়েছে।
চলতি বিশ্বকাপেও একই ধরনের বিতর্ক দেখা গেছে। ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে গোল করলেও পুরো ম্যাচে খুব বেশি প্রভাব রাখতে না পারা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ম্যাচসেরা হন। আবার কেপ ভার্দের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার জয়ে লিওনেল মেসি পুরস্কার পেলেও অনেকের মতে, লিসান্দ্রো মার্তিনেজের অবদানও সমান গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ঘানার বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ের ম্যাচে জুড বেলিংহাম ম্যাচসেরা হওয়াও প্রশ্নের জন্ম দেয়।
তবু জনপ্রিয় তারকারাই এই তালিকায় এগিয়ে। চলতি বিশ্বকাপে প্রথম পাঁচ ম্যাচের চারটিতে ম্যাচসেরা হয়েছেন লিওনেল মেসি। বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১৫ বার এই সম্মান জিতে তিনি এখনো সবার শীর্ষে।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

ইরান-সংঘাতে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী, চাপে এশিয়ার শেয়ারবাজার

১৩ জুলাই ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

বিশ্বকাপে ম্যাচসেরা পুরস্কার, জনপ্রিয়তাই কি এখন শেষ কথা?

আপডেট সময় ০৯:৫১:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপে ম্যাচসেরা বা ‘প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ’ পুরস্কারটি এখন আর শুধু মাঠের সেরা পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি নয়—এটি ক্রমেই জনপ্রিয়তার প্রতিযোগিতায় পরিণত হচ্ছে বলে আলোচনা বাড়ছে। চলতি বিশ্বকাপেও বেশ কয়েকটি ম্যাচের পর এই পুরস্কার নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে।
ফিফা ২০০২ সালের কোরিয়া–জাপান বিশ্বকাপে প্রথম ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ পুরস্কার চালু করে। তখন বিজয়ী নির্বাচন করতেন ফিফার টেকনিক্যাল স্টাডি গ্রুপের বিশেষজ্ঞরা। ২০২২ সালে লিঙ্গনিরপেক্ষতার অংশ হিসেবে পুরস্কারের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ’।
২০১০ বিশ্বকাপ থেকে সমর্থকদের ভোটের ভিত্তিতে ম্যাচসেরা নির্বাচন শুরু হয়। বর্তমানে ফিফার ওয়েবসাইটে ম্যাচ চলাকালীন বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে দর্শকেরা ভোট দিতে পারেন। ফলে অনেকের মতে, পারফরম্যান্সের পাশাপাশি খেলোয়াড়ের জনপ্রিয়তাও ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলছে।
এর আগে ২০২২ বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের কেভিন ডি ব্রুইনা নিজেই প্রশ্ন তুলেছিলেন, প্রত্যাশিত মানের খেলতে না পারলেও তিনি কেন ম্যাচসেরার পুরস্কার পেলেন। তাঁর মন্তব্য ছিল, হয়তো নামের কারণেই এমনটি হয়েছে।
চলতি বিশ্বকাপেও একই ধরনের বিতর্ক দেখা গেছে। ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে গোল করলেও পুরো ম্যাচে খুব বেশি প্রভাব রাখতে না পারা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ম্যাচসেরা হন। আবার কেপ ভার্দের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার জয়ে লিওনেল মেসি পুরস্কার পেলেও অনেকের মতে, লিসান্দ্রো মার্তিনেজের অবদানও সমান গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ঘানার বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ের ম্যাচে জুড বেলিংহাম ম্যাচসেরা হওয়াও প্রশ্নের জন্ম দেয়।
তবু জনপ্রিয় তারকারাই এই তালিকায় এগিয়ে। চলতি বিশ্বকাপে প্রথম পাঁচ ম্যাচের চারটিতে ম্যাচসেরা হয়েছেন লিওনেল মেসি। বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১৫ বার এই সম্মান জিতে তিনি এখনো সবার শীর্ষে।

Share this news as a Photo Card