ছাত্র না হয়েও দিগরাজ কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মুন্না 

গত ১৮ অক্টোবর বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ থেকে কলেজ কমিটি প্রকাশ করা হয়। তবে ছাত্র না হওয়া স্বত্ত্বেও দিগরাজ ডিগ্রি মহাবিদ্যালয়  কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি করা হয়েছে মোঃ মনিরুজ্জামান মুন্নাকে । 
কলেজ সুত্রে পাওয়া,মনিরুজ্জামান মুন্না, পিতা- রশিদ মোল্লা, মাতা- মনোয়ারা বেগম, গ্রাম- গাববুনিয়া, ডাকঘর- ঝনঝনিয়া, উপজেলা- রামপাল, জেলা- বাগেরহাট এর একজন বাসিন্দা। রেজিস্টার খাতা অনুযায়ী সে ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে এইচএসসি (বিএম) শাখায় মানব সম্পদ উন্নয়ন ট্রেডে ভর্তি হয়। তাঁর শ্রেণি রোল- ২৩৩। সে ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে বোর্ড চুড়ান্ত মূল্যায়ন পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে অকৃতকার্য হয় এবং তৎপরবর্তীতে রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ থাকা সাপেক্ষে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেনি।।
দিগরাজ ডিগ্রি মহাবিদ্যালয়ের  অধ্যক্ষ তুষার কুমার গাইন বলেন, মনিরুজ্জামান মুন্না বিএম শাখায় ভর্তি ছিলো। বিএম শাখায় প্রতিবছরই  পরীক্ষা হয়। কিন্তুু সে ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে বোর্ডের চুড়ান্ত মূল্যায়ন পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে সকল বিষয়ে  অকৃতকার্য হয়। পরে  রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ থাকা সাপেক্ষে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেনি  এবং কলেজের সাথে মুন্নার কোন সংশ্লিষ্টতা নেই।
তিনি আরো বলেন, বোর্ডের ভর্তির যে নীতিমালা সেই নীতিমালার আলোকে বোর্ডের রেজিষ্ট্রেশনের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে অনেক আগেই। মনিরুজ্জামান মুন্না দিগরাজ  কলেজের শিক্ষার্থী নয় বলে নিশ্চিত করেন তিনি।
এছাড়াও দিগরাজ কলেজ মহাবিদ্যালয়ের কলেজ ছাত্রদলের পদবঞ্চিতরাসহ  ছাত্রদলের নেতা  কর্মীরা অভিযোগ করে  বলেন, মনিরুজ্জামান মুন্না বিবাহিত ও কলেজের শিক্ষার্থী না। এছাড়া মুন্না ২০২২ সালে ছাত্রদল থেকে পদত্যাগ করে। তার লিখিত  পদত্যাগ পত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সবার দৃস্টি গোচর হয়েছে।
তবে মুন্না যে বিবাহিত তার  বিবাহের কোন  কাগজপত্রসহ কোন সত্যতা দেখাতে  পারিনি,  পদত্যাগ পত্রটির একটি কপি প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষণ রয়েছে।
তবে মোংলার  সাবেক ছাত্রদল নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যাদের যাচাই বাছাই  সহ এলাকায় কমিটির ব্যাপারে কেন্দ্রীয় কমিটি বিশ্বাস রেখে নামের তালিকা নিয়েছে।  তাদের ভুল তথ্য বা তথ্য গোপন করে নামের তালিকা দিয়ে এমন বিতর্কের সৃস্টি করা হয়েছে। যারা রানিং  কলেজ শিক্ষার্থী ছাত্রদলের জন্য রাজপথে দলের জন্য সংগ্রাম ত্যাগ ছিলো এমন ছাত্রদল কর্মীদের যাচাই বাছাই করে নামের তালিকা কেন্দ্রীয় সংসদে পাঠালে এমন অনিয়ম হতো না বলে মন্তব্য করেন তারা।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

ইরান-সংঘাতে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী, চাপে এশিয়ার শেয়ারবাজার

১৩ জুলাই ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

ছাত্র না হয়েও দিগরাজ কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মুন্না 

আপডেট সময় ০৬:০৫:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫
গত ১৮ অক্টোবর বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ থেকে কলেজ কমিটি প্রকাশ করা হয়। তবে ছাত্র না হওয়া স্বত্ত্বেও দিগরাজ ডিগ্রি মহাবিদ্যালয়  কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি করা হয়েছে মোঃ মনিরুজ্জামান মুন্নাকে । 
কলেজ সুত্রে পাওয়া,মনিরুজ্জামান মুন্না, পিতা- রশিদ মোল্লা, মাতা- মনোয়ারা বেগম, গ্রাম- গাববুনিয়া, ডাকঘর- ঝনঝনিয়া, উপজেলা- রামপাল, জেলা- বাগেরহাট এর একজন বাসিন্দা। রেজিস্টার খাতা অনুযায়ী সে ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে এইচএসসি (বিএম) শাখায় মানব সম্পদ উন্নয়ন ট্রেডে ভর্তি হয়। তাঁর শ্রেণি রোল- ২৩৩। সে ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে বোর্ড চুড়ান্ত মূল্যায়ন পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে অকৃতকার্য হয় এবং তৎপরবর্তীতে রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ থাকা সাপেক্ষে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেনি।।
দিগরাজ ডিগ্রি মহাবিদ্যালয়ের  অধ্যক্ষ তুষার কুমার গাইন বলেন, মনিরুজ্জামান মুন্না বিএম শাখায় ভর্তি ছিলো। বিএম শাখায় প্রতিবছরই  পরীক্ষা হয়। কিন্তুু সে ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে বোর্ডের চুড়ান্ত মূল্যায়ন পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে সকল বিষয়ে  অকৃতকার্য হয়। পরে  রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ থাকা সাপেক্ষে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেনি  এবং কলেজের সাথে মুন্নার কোন সংশ্লিষ্টতা নেই।
তিনি আরো বলেন, বোর্ডের ভর্তির যে নীতিমালা সেই নীতিমালার আলোকে বোর্ডের রেজিষ্ট্রেশনের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে অনেক আগেই। মনিরুজ্জামান মুন্না দিগরাজ  কলেজের শিক্ষার্থী নয় বলে নিশ্চিত করেন তিনি।
এছাড়াও দিগরাজ কলেজ মহাবিদ্যালয়ের কলেজ ছাত্রদলের পদবঞ্চিতরাসহ  ছাত্রদলের নেতা  কর্মীরা অভিযোগ করে  বলেন, মনিরুজ্জামান মুন্না বিবাহিত ও কলেজের শিক্ষার্থী না। এছাড়া মুন্না ২০২২ সালে ছাত্রদল থেকে পদত্যাগ করে। তার লিখিত  পদত্যাগ পত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সবার দৃস্টি গোচর হয়েছে।
তবে মুন্না যে বিবাহিত তার  বিবাহের কোন  কাগজপত্রসহ কোন সত্যতা দেখাতে  পারিনি,  পদত্যাগ পত্রটির একটি কপি প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষণ রয়েছে।
তবে মোংলার  সাবেক ছাত্রদল নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যাদের যাচাই বাছাই  সহ এলাকায় কমিটির ব্যাপারে কেন্দ্রীয় কমিটি বিশ্বাস রেখে নামের তালিকা নিয়েছে।  তাদের ভুল তথ্য বা তথ্য গোপন করে নামের তালিকা দিয়ে এমন বিতর্কের সৃস্টি করা হয়েছে। যারা রানিং  কলেজ শিক্ষার্থী ছাত্রদলের জন্য রাজপথে দলের জন্য সংগ্রাম ত্যাগ ছিলো এমন ছাত্রদল কর্মীদের যাচাই বাছাই করে নামের তালিকা কেন্দ্রীয় সংসদে পাঠালে এমন অনিয়ম হতো না বলে মন্তব্য করেন তারা।

Share this news as a Photo Card